বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প চলতি অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ রপ্তানি আয় করেছে। ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশ এখন একটি অপরিহার্য অংশীদার।
বিজিএমইএ জানিয়েছে, পোশাক শিল্পে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়া ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার ফলে আন্তর্জাতিক বায়ারদের আস্থা বেড়েছে। বিশ্বের সেরা কিছু ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে পোশাক সংগ্রহ করছে।
পোশাক খাতে দক্ষ শ্রমিক তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়ছে। শ্রমিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। দক্ষ শ্রমিক তৈরি হলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং রপ্তানি আয় আরও বৃদ্ধি পাবে।
পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০১৩ সালের রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর থেকে কারখানার নিরাপত্তা মান ব্যাপকভাবে উন্নত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মান সংস্থার সার্টিফিকেট প্রাপ্ত কারখানার সংখ্যা বাড়ছে।
পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি পণ্য বৈচিত্র্য আনাও জরুরি। শুধু নিম্নমূল্যের পোশাকে নির্ভর না করে উচ্চমূল্যের ফ্যাশন পোশাক উৎপাদনেও মনোযোগ দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা।
সরকার পোশাক খাতে আরও বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ প্রণোদনা দিচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকট, অবকাঠামো সমস্যা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর দিকেও মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।