বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো আন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন নিয়ে দীর্ঘ বৈঠকে মিলিত হয়েছে। তবে বিভিন্ন দলের ভিন্নমত ও পরস্পরবিরোধী দাবির কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো এখনও সম্ভব হয়নি। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নেতারা জানান, দেশের স্বার্থে শীঘ্রই একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা জরুরি।
আলোচনায় প্রধান বিষয় ছিল আন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ, গঠন ও ক্ষমতার পরিধি। বিভিন্ন দল নিজেদের পছন্দের প্রার্থী ও কাঠামো নিয়ে আসায় ঐকমত্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে সবাই একমত যে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্বর্তী সরকারের সফলতা নির্ভর করবে তার নিরপেক্ষতার ওপর। যদি সকল রাজনৈতিক দল এই সরকারকে গ্রহণযোগ্য মনে করে, তাহলে নির্বাচন প্রক্রিয়া মসৃণ হবে। অন্যথায় নতুন সংকট দেখা দিতে পারে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সকল দলকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলছেন, জনগণ রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি চায় এবং একটি শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রত্যাশা করছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।
আগামী সপ্তাহে আবার বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে। এই বৈঠকে একটি কার্যকর রোডম্যাপ তৈরি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর।
দেশবাসী প্রত্যাশা করছেন, নেতারা জনগণের স্বার্থকে দলীয় স্বার্থের উপরে রেখে কাজ করবেন এবং দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে নেবেন। আলোচনার টেবিলে সমস্যা সমাধানই সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ পথ বলে সকলে একমত।