ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট দীর্ঘ তদন্তের পর একটি বড় অনলাইন প্রতারণা চক্র উৎখাত করেছে। চক্রটি ফিশিং ইমেইল, নকল ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন বয়সের শিক্ষিত ব্যক্তিরা। তারা ব্যাংক, বীমা কোম্পানি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন। তাদের কাছ থেকে আধুনিক কম্পিউটার সরঞ্জাম ও প্রচুর নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্র আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধীদের সাথেও যোগাযোগ রাখত। অর্থ পাচারে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করা হতো। তদন্তে বিদেশি সংস্থার সহায়তাও নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ। অনেকে সর্বস্ব হারিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে জানা যায়, প্রতারকরা এত বিশ্বাসযোগ্যভাবে কথা বলতেন যে বোঝার উপায় ছিল না।
পুলিশ জানিয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এ ধরনের অপরাধ রোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায়। কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ও ব্যাংক একাউন্ট নম্বর অপরিচিতদের সাথে শেয়ার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সাইবার অপরাধের ব্যাপকতা রোধে নতুন আইন ও বিশেষ আদালত গঠনের দাবি উঠছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুরক্ষায় সাইবার নিরাপত্তা অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করা জরুরি।