বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বিভাগ ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষত বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে, তাই এই সময়ে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।

মশক নিধনে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলো নিয়মিত ফগিং ও লার্ভিসাইডিং করছে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বাড়িতে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে বলা হচ্ছে।

হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ ওয়ার্ড স্থাপন করা হয়েছে। স্যালাইন ও প্লেটলেটের মজুদ নিশ্চিত করা হচ্ছে। ডেঙ্গুর তীব্রতা বাড়লে দ্রুত হাসপাতালে যেতে বলা হচ্ছে।

জনসচেতনতা বাড়াতে টিভি, রেডিও ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত বার্তা প্রচার করা হচ্ছে। পাড়া-মহল্লায় মসজিদ-মন্দিরেও ডেঙ্গু সতর্কতা সম্পর্কে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ সবার সচেষ্ট হওয়া জরুরি। বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া ও মশারি ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

ডেঙ্গু ভ্যাকসিন তৈরিতে গবেষণা চলছে। বাংলাদেশও এই গবেষণায় অংশ নেওয়ার সুযোগ খুঁজছে। ভ্যাকসিন পাওয়া গেলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অনেক সহজ হবে।