নতুন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। রাজনৈতিক হানাহানি ও অস্থিরতা দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
সরকার জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নাশকতামূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। একই সাথে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কার্যক্রমে কোনো বাধা দেওয়া হবে না।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এই আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং গঠনমূলক রাজনীতি চর্চার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে বিরোধী দলগুলো তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতি আগ্রহী। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা সরকার ও বিরোধী দলের সাথে বৈঠক করছেন এবং সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিচ্ছেন।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত কয়েক বছরে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থিতিশীলতা ফিরে এলে বিদেশি বিনিয়োগ আবার বাড়বে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
দেশের সাধারণ মানুষ চায় রাজনৈতিক নেতারা বিবাদ ভুলে দেশের উন্নয়নে মনোযোগ দিক। তারা মনে করছেন, নেতাদের উচিত জনগণের কাছে করা প্রতিশ্রুতি পূরণে সক্রিয় হওয়া, বিরোধিতার নামে দেশকে অস্থির না করা।