আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিভিন্ন মহল থেকে দাবি আসছে, সার্চ কমিটিতে সুশীল সমাজ, আইনবিদ ও সাবেক বিচারকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত প্রতিনিধিদের পরিবর্তে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে কমিশন গঠনের সুপারিশ করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও মজবুত করবে। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করছেন।

গত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা কমে যায়। তাই এবার সকল পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি কমিশন গঠন অত্যন্ত জরুরি।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, কমিশন পুনর্গঠনের পাশাপাশি ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনী আইন সংস্কার ও ইভিএম ব্যবহারের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি।

সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা করছেন, আসন্ন নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য। এর জন্য একটি কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠন অপরিহার্য। রাজনৈতিক দলগুলো যদি সত্যিকারের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হয়, তাহলে তারা এই দাবির সাথে একমত হবে।