বাংলাদেশে ৫জি নেটওয়ার্কের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের নির্বাচিত এলাকায় ৫জি সেবা পাওয়া যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হবে।
৫জি প্রযুক্তি চালু হওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অনেক বেশি গতির সেবা পাবেন। ডাউনলোড গতি ৪জির তুলনায় ১০ থেকে ১০০ গুণ বেশি। এই গতি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ক্লাউড গেমিংকে নতুন মাত্রা দেবে।
শিল্প খাতে ৫জির প্রভাব হবে বিপ্লবাত্মক। স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, অটোমেশন, ড্রোন ডেলিভারি ও স্বচালিত যানবাহনের জন্য ৫জি নেটওয়ার্ক অপরিহার্য। কৃষিতে স্মার্ট সেন্সর ও ড্রোন ব্যবহারেও ৫জি কাজে আসবে।
টেলিকম কোম্পানিগুলো ৫জি নেটওয়ার্ক স্থাপনে বিপুল বিনিয়োগ করছে। সারাদেশে ৫জি টাওয়ার স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের প্রধান শহরগুলোতে ৫জি কভারেজ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবায়ও ৫জির সম্ভাবনা অসীম। টেলিমেডিসিন, দূরনিয়ন্ত্রিত অস্ত্রোপচার ও রোগীর তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে আদান-প্রদানে ৫জি ব্যবহার হবে। এতে গ্রামীণ এলাকার মানুষও শহরের মতো উন্নত চিকিৎসা পাবেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫জি বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করবে। এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ ডিজিটাল অর্থনীতিতে অনেক এগিয়ে যাবে।