বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম দ্রুত পরিপক্ক হচ্ছে। বেশ কিছু বাংলাদেশি স্টার্টআপ আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড থেকে মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছে। ফিনটেক, হেলথটেক ও এডটেক খাতে স্টার্টআপগুলো বিশেষভাবে সফল হচ্ছে।
বিকাশ, শপআপ ও পাঠাওয়ের সাফল্য দেখে নতুন উদ্যোক্তারা অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। এই কোম্পানিগুলো প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ থেকেও বৈশ্বিক মানের প্রযুক্তি পণ্য তৈরি করা সম্ভব।
স্টার্টআপ ইনকিউবেটর ও এক্সিলারেটর প্রোগ্রামগুলো নতুন উদ্যোক্তাদের মেন্টরিং ও সম্পদ সরবরাহ করছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে বেশ কিছু কো-ওয়ার্কিং স্পেস ও ইনকিউবেটর চালু হয়েছে।
সরকার স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম উন্নয়নে আইনি সংস্কার করছে। কোম্পানি নিবন্ধন সহজ করা, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জোরদার করা ও বিদেশি বিনিয়োগ আনার পথে বাধা দূর করা হচ্ছে।
বিদেশে থাকা বাংলাদেশি উদ্যোক্তারাও দেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সিলিকন ভ্যালি ও লন্ডনে সফল বাংলাদেশিরা দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে বিনিয়োগ করছেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের বড় জনগোষ্ঠী ও ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি প্রযুক্তি স্টার্টআপের জন্য বিশাল সুযোগ তৈরি করেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক প্রযুক্তি কেন্দ্রে পরিণত হবে।