বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের রপ্তানি আয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের আইটি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, বিপিও ও আইটিইএস খাতে দেশের তরুণ পেশাদাররা বৈশ্বিক বাজারে সফলভাবে প্রতিযোগিতা করছেন।
বাংলাদেশের আইটি পেশাদাররা আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু কোম্পানির হয়ে কাজ করছেন। রিমোট ওয়ার্কিংয়ের সুবাদে দেশে বসেই আন্তর্জাতিক প্রজেক্টে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে।
হাইটেক পার্কগুলো আইটি কোম্পানিগুলোর জন্য আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করছে। কর ছাড়, আধুনিক অবকাঠামো ও একীভূত সুবিধার কারণে দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলো হাইটেক পার্কে বিনিয়োগ করছে।
আইটি শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে কম্পিউটার সায়েন্স ও আইটি বিভাগের আসন বাড়ানো হচ্ছে। বেসরকারি আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোও ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থী তৈরি করছে।
ফ্রিল্যান্সিং খাতে বাংলাদেশ বিশ্বে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। লাখো বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করে মিলিয়ন ডলার আয় করছেন।
আইটি রপ্তানি বাড়াতে সরকার প্রতিভাবান আইটি পেশাদারদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও স্বীকৃতি দিচ্ছে। দেশে যাতে মেধা পাচার না হয় সেজন্য প্রণোদনামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।