বাংলাদেশের সমাজে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মেরুকরণ দিন দিন বাড়ছে। বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার অভাব সমাজকে দুর্বল করছে। এই বিভক্তি দূর না হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সামাজিক বিভক্তিকে আরও গভীর করছে। মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ তৈরি করা হচ্ছে। ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানো ও মিথ্যা তথ্য যাচাইয়ে মানুষকে দক্ষ করে তোলা জরুরি।

সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে পারস্পরিক সংলাপ ও বোঝাপড়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও মতাদর্শের মানুষকে একত্রিত করে সহমর্মিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামাজিক সহিষ্ণুতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা দেওয়া উচিত। শিশু বয়স থেকেই বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের মনোভাব গড়ে তোলা গেলে ভবিষ্যতের সমাজ আরও সংহত হবে।

মিডিয়ার দায়িত্বও অনেক। বিভাজনমূলক সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঐক্য ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছা সবচেয়ে বেশি দরকার। নেতারা যদি ঐক্যের কথা বলেন এবং নিজেরা সেটা অনুসরণ করেন, তাহলে সমাজও ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হবে।