চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন বে টার্মিনাল চালু হওয়ায় বন্দরের মাল পরিবহন ক্ষমতা দ্বিগুণ হয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং ব্যবসায়িক খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কার্গো হ্যান্ডলিং সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

নতুন টার্মিনালে স্বয়ংক্রিয় ক্রেন, উন্নত কন্টেইনার ট্র্যাকিং সিস্টেম ও ডিজিটাল কাস্টমস প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এতে বন্দরে পণ্য খালাসের সময় আগের চেয়ে তিনগুণ কমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা এই উন্নয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বন্দরের বার্ষিক কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বর্তমানের দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর জন্য আরও বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে।

দেশের রপ্তানিকারকরা বলছেন, বন্দরের দক্ষতা বাড়ায় তারা সময়মতো পণ্য জাহাজে তুলতে পারছেন। এতে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সাথে সম্পর্ক উন্নত হচ্ছে এবং নতুন ক্রেতা পাওয়া সহজ হচ্ছে।

চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক শিপিং লাইনের সংখ্যাও বাড়ছে। আগে অনেক পণ্য ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য সিঙ্গাপুর বা কলম্বো হয়ে যেত, এখন সরাসরি গন্তব্যে পাঠানো যাচ্ছে। এতে পরিবহন খরচ ও সময় দুটোই কমছে।

সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে মাতারবাড়িতে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করার, যা চট্টগ্রাম বন্দরের সম্পূরক হিসেবে কাজ করবে। এই দুটি বন্দর একসাথে কাজ করলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে।