বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসবে। সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি প্রকল্পগুলো দ্রুতগতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে দেশে বেশ কিছু বড় সোলার পার্ক চালু রয়েছে।

গ্রামীণ এলাকায় সোলার হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বঞ্চিত মানুষদের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৬০ লক্ষেরও বেশি পরিবার সোলার হোম সিস্টেমের সুবিধা পাচ্ছে। এটি বিশ্বে সবচেয়ে বড় অফ-গ্রিড সোলার কার্যক্রমগুলোর একটি।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এখন চাহিদার চেয়ে বেশি। কিন্তু সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের দুর্বলতার কারণে সব এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই সমস্যা সমাধানে বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ এলএনজি আমদানি বাড়াচ্ছে। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানি করা এলএনজি দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণও এগিয়ে চলছে। রূপপুরে রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শীঘ্রই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতা বৃদ্ধিতে স্মার্ট মিটার স্থাপনের কাজও চলছে। স্মার্ট মিটার ব্যবহারে বিদ্যুৎ চুরি ও অপচয় কমবে এবং গ্রাহকরা তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হতে পারবেন।