বাংলাদেশ সরকার সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করেছে। এখন দেশের সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ৩০০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। এতে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর একটি। অর্থনৈতিক অবস্থা যাই হোক, সবাই যাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ১৮ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে তৃণমূলের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

টেলিমেডিসিন সেবাও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। দূরবর্তী এলাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া এখন সহজ হয়েছে। ভিডিও কলের মাধ্যমে বাড়িতে বসেই ডাক্তারের সাথে কথা বলা যাচ্ছে।

মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হার কমাতে সরকার বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। প্রসবপূর্ব ও প্রসবোত্তর সেবা নিশ্চিত করায় এই হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগও বাড়ছে। নতুন হাসপাতাল নির্মাণ, বিদ্যমান হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সংগ্রহে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করছে।