বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা দ্রুত বাড়ছে। দীর্ঘদিনের সামাজিক কলঙ্ক কাটিয়ে মানুষ এখন মানসিক সমস্যার জন্য চিকিৎসা নিতে আগ্রহী হচ্ছেন।

করোনা মহামারির পর থেকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। একাকীত্ব, উদ্বেগ ও বিষণ্নতায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সেবার চাহিদাও বেড়েছে।

সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হবে।

মানসিক স্বাস্থ্য হেল্পলাইন চালু হয়েছে যেখানে যেকোনো সময় ফোন করে পরামর্শ নেওয়া যায়। অনলাইনে থেরাপি সেশনও পাওয়া যাচ্ছে। এতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও সেবা নিতে পারছেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলর নিয়োগ দেওয়ার দাবি উঠছে। পরীক্ষার চাপ, সামাজিক মিডিয়ার প্রভাব ও ক্যারিয়ারের উদ্বেগে অনেক শিক্ষার্থী মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক সমস্যাকে শারীরিক সমস্যার মতো গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা করা দরকার। সামাজিক কলঙ্ক দূর করতে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ তৈরিতে বিনিয়োগ জরুরি।