বাংলাদেশে শিশু পুষ্টিহীনতার হার গত দশ বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গ্রামীণ এলাকায় পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ ও মায়েদের সচেতন করার কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় পরিচালিত পুষ্টি কর্মসূচিতে গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে আয়রন ট্যাবলেট ও পুষ্টিসম্পূরক দেওয়া হচ্ছে। শিশুর জন্মের প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।

রেডি-টু-ইউজ থেরাপিউটিক ফুড (আরইউটিএফ) ব্যবহার করে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এই বিশেষ খাবার শিশুদের দ্রুত স্বাভাবিক পুষ্টির মাত্রায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত পুষ্টি পর্যবেক্ষণ করছেন। শিশুর বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে নিয়মিত ওজন নেওয়া ও উচ্চতা পরিমাপ করা হচ্ছে।

কৃষি খাতেও পুষ্টি উন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। পুষ্টিকর খাবার উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈচিত্র্যময় খাদ্য তালিকা নিশ্চিত করতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুষ্টি উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করা হলে দেশের মানব পুঁজি শক্তিশালী হবে। সুপুষ্ট শিশুরা ভালো পড়াশোনা করে এবং বড় হয়ে আরও উৎপাদনশীল হয়।