বাংলাদেশ সরকার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বুস্টার ডোজ টিকা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। বিশেষত বয়স্ক, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বিতরণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ কোভ্যাক্স সুবিধা থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার পাশাপাশি সরাসরি উৎপাদনকারী দেশগুলো থেকেও সংগ্রহ করছে।
টিকা কেন্দ্রগুলোতে সুরম্য পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে এবং অনলাইনে নিবন্ধন করে নির্ধারিত সময়ে টিকা নেওয়া যাচ্ছে। মোবাইল টিকাকেন্দ্রের মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকায়ও টিকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারির সময়কালীন অভিজ্ঞতা থেকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত হয়েছে। সেই দুর্বলতাগুলো দূর করতে সরকার স্বাস্থ্য অবকাঠামো শক্তিশালী করছে।
ভবিষ্যতের মহামারি মোকাবেলায় জাতীয় মহামারি প্রস্তুতি পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানো ও জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর মজুদ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের টিকা কার্যক্রমের প্রশংসা করেছে। স্বল্প আয়ের দেশ হয়েও বাংলাদেশ যেভাবে ব্যাপক টিকাদান সম্পন্ন করেছে, তা অনেক দেশের জন্য অনুকরণীয়।